“ ডায়াফেরা ”
“বাংলাদেশে এই প্রথম ডায়াফেরা সেবনে ডায়াবেটিস ভালো হয় ”
যা-ই বলুক না কেন, অধিকাংশ মানুষ আসলে নিজের শরীরকে মোটেও ভালোবাসে না বা শরীরের পতি দায়িতশীল আচরণ করে না । করলে কোনে অবস্থাতেই যা-ইচ্ছে-তাই, যখন-ইচ্ছে-তখন মুখে ঢোকাতে পারতো না। মহান সৃষ্টিকর্তা অনেক মহব্বত ও দরদ মাখিয়ে মানব-মডেল আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। আমরা তাঁরই উত্তরসূরী। সুতরাং এই দেহের প্রতি অবিচার হয়- এমন কোনো কাজ করা বা এমন কোনো খাবার স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে গলধঃকরণ প্রকৃতি-বিরুদ্ধে কাজ। মানুষ এখন সস্তা খাবার খোঁজে আর দামী হাসপাতালে যায়। কিন্তু খাবারটা ভালো খেলে জীবনে কখনো হাসপাতাল-ডাক্তার ড্রাগসের কাছে যেতে হবে না।
অস্বাস্থ্যকর খাবার, জীবনযাত্রার অনিয়ম ও শরীরচর্চার অভাবে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। ডায়াবেটিস জিনগত হলেও টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচাইতে বেশি। অজান্তেই ডায়াবেটিস কোপ ফেলে আমাদের কিডনি, হার্ট, চোখ, লিভারের মত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে যৌন জীবনে বয়েআনে ভয়াবহ অসুস্থতা। যে কারণে পরবর্তীতে কোনও শারীরিক জটিলতা হলে এবং অবস্থা কঠিন হলে মাল্টি অ্যান ফেলিওয়ের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও ডায়াবেটিস থাকলে কিন্তু শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। যে কারণে এই সমস্যায় সবদিক থেকে নিজেকে সাবধানে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ডায়াবেটিস সাধারণত দুই ধরনের হয়–
টাইপ–১ ডায়াবেটিস এবং টাইপ–২ ডায়াবেটিস। মোট রোগীর ৯৫% টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।
টাইপ–১ ডায়াবেটিস নিরাময় যোগ্য নয়। সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে টাইপ–২ ডায়াবেটিসকে স্থায়ীভাবে আটকানো সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশে এই প্রথম পুষ্টিবিদ মো: সোলায়মান হোসেন এর সেরা উদ্ভাবন “ডায়াফেরা সেবনে ডায়াবেটিস ভালো হয় “ জি ঠিকই শুনছেন টাইপ–২ ডায়াবেটিস এর প্রধান কারণ প্যানক্রিয়াস এর বেটা কোষ এর দূর্বলতা। আর প্যানক্রিয়াস এর বেটা কোষ একদিনে দূর্বল হয় না, এটা দূর্বল হতে ৫ থেকে ৭ বছর লাগে। মূলত প্যানক্রিয়াস এর বেটা কোষ যখন তার প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্ট ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট গুলো আমাদের বড়িতে ধারাবাহিক ভাবে ৫ থেকে ৭ বছর তাদের পরিমান মত না পাই বা খুবই কম পরিমান পাই, তখনই তারা আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়ে এবং আগের তুলনায় ইনস্যুলুন তৈরি কমিয়ে দেয়, এর ফলাফল হচ্ছে দেশের টাইপ-২ ডায়াবেটিস। WHO এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ৭ সেকেন্ডে নতুন একজন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পুষ্টিবিদ মো: সোলায়মান হোসেন উদ্ভাবন করেছেন ডায়াফেরা।
এটা মূলত আমাদের প্যানক্রিয়াস এর বেটা কোষ আমাদের বডি থেকে যতগুলো প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্ট ও ফাইটো-নিউট্রিয়েন্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে সুস্থ থাকে, সেই নিউট্রিয়েন্ট ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট এর সমন্বয়ে তৈরি একটি অর্গানিক পথ্য বা খাবার। এটা সেবনের মাধ্যমে আমাদের বডিতে প্যানক্রিয়াস এর বেটা কোষের প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্ট ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট গুলো এভেইলেভেল হবে এবং বেটা কোষ এগুলো গ্রহণ করার মাধ্যমে আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠবে। আর ফলাফল স্বরূপ আগের মত বডির প্রয়োজন অনুয়ায়ী ইনস্যুলিন তৈরি করবে এবং তা আমাদের রক্তে পরিবহন এর মাধ্যমে টাইপ–২ ডায়াবেটিস কে অটো নিয়ন্ত্রণে রাখবে ইনশাআল্লাহ।
কার্যকারিতা:
১) টাইপ-২ ডায়াবেটিসে শতভাগ কার্যকরী ২) প্রাকৃতিক উপায়ে প্যানক্রিয়াস এর বিটা কোষ কে শতভাগ সুস্থ করার মাধ্যমে রক্তে ইনসুলিন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখে ৩) গ্লুকোজ কন্ট্রোল করে ৪) শারিরীক দূর্বলতা দূর করে ৫) শরীরে চাবানো কামড়ানো দূর করে ৬) পরিপূর্ণ ঘুম আনায়ন করে ৭) ব্যথা-বেদনা দূর করে।
ইহা কোন ঔষধ নয়, মানব দেহের প্রাকৃতিক সুষম খাদ্য।
উপাদান সমূহঃ অশ্বগন্ধা, মেথি, জাম বিচি, হরতকি, বহেরা, আমলকী, স্টিভিয়া ও অন্যান্য প্রাকৃতিক হার্বস এর এ্যাক্টিভ উপাদান। খাওয়ার নিয়ম: * এক কাপ গরম পানির সাথে একটা স্যাসেট মিশিয়ে সেবন করতে হবে। সকালে খালি পেটে।


Reviews
There are no reviews yet.